শনিবার ● ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১১
প্রথম পাতা » নোবেল পুরষ্কার:রসায়ন » ২০১০ সালে রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পেয়েছেন রিচার্ড এফ. হেক, এই-ইচি নেগিশি ও আকিরা সুজুকি
২০১০ সালে রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পেয়েছেন রিচার্ড এফ. হেক, এই-ইচি নেগিশি ও আকিরা সুজুকি
![]()
প্যালাডিয়াম ক্যাটালাইজড ক্রস কাপলিং এর জন্য রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পেয়েছেন রিচার্ড এফ. হেক, এই-ইচি নেগিশি ও আকিরা সুজুকি। এই পদ্ধতির মাধ্যমে স্থিতিশীল জৈব অনু তৈরি করা সম্ভব হবে। প্রাণের অপরিহার্য অণু কার্বন। সিনথেটিক শিল্পে এর অসংখ্য ব্যবহার রয়েছে। যৌগিক কার্বন পরমানু সংযোজনের মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিরোধের নতুন ওষুধ উদ্ভাবন সহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি তৈরির কাজ অনেক সহজ হবে।
রিচার্ড এফ. হেক
আমেরিকান নাগরিক রিচার্ড এফ. হেক ১৯৩১ সালে আমেরিকার স্প্রিংফিল্ডে জন্মগ্রহণ করেন। ক্যালিফোর্ণিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৪ সালে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন। বর্তমানে নিউইয়র্কের ডেলাওয়্যার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস প্রফেসর।
এই-ইচি নেগিশি
জাপানি নাগরিক এই-ইচি নেগিশি চীনের চ্যাংচুঙ-এ (ভূতপূর্ব জাপান) ১৯৩৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ফিলাডেলফিয়ার পেনসালভেনিয়া বিশ্ববিদ্যারয় থেকে ১৯৬৩ সালে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন। বর্তমানে আমেরিকার পারডিউ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নের অধ্যাপক।
আকিরা সুজুকি
জাপানি নাগরিক আকিরা সুজুকি জাপানের মুকাওয়া-তে ১৯৩০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে জাপানের হোকাইডো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস প্রফেসর।





বিবর্তনের ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণের উপায় উদ্ভাবনের জন্য ২০১৮ সালে রসায়নে নোবেল
ক্রিয়ো-ইলেকট্রন মাইক্রোস্কপি উদ্ভাবনের জন্য ২০১৭ সালে যৌথভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতর যন্ত্র তৈরির জন্য ২০১৬ সালে রসায়নশাস্ত্রে নোবেল পুরষ্কার
ক্ষতিগ্রস্ত ডিএনএ সারিয়ে তোলার কোষীয় কৌশল আবিষ্কারের জন্য ২০১৫ সালে রসায়নে নোবেল
লাইট মাইক্রোস্কোপের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য ২০১৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরষ্কার
রাসায়নিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়টিকে সাইবার জগতে নিয়ে আসার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার
‘জি প্রোটিন কাপল্ড রিসেপটর’ সংক্রান্ত গবেষণায় ২০১২ সালে রসায়নে নোবেল পেলেন দুই মার্কিন গবেষক
২০১১ সালে রসায়নে এককভাবে নোবেল পুরস্কার পেলেন ইসরায়েলি বিজ্ঞানী ড্যানিয়েল শেচম্যান 