বৃহস্পতিবার ● ৮ অক্টোবর ২০১৫
প্রথম পাতা » নোবেল পুরষ্কার:রসায়ন » ক্ষতিগ্রস্ত ডিএনএ সারিয়ে তোলার কোষীয় কৌশল আবিষ্কারের জন্য ২০১৫ সালে রসায়নে নোবেল
ক্ষতিগ্রস্ত ডিএনএ সারিয়ে তোলার কোষীয় কৌশল আবিষ্কারের জন্য ২০১৫ সালে রসায়নে নোবেল

ক্ষতিগ্রস্ত ডিএনএ সারিয়ে তোলার কোষীয় কৌশল আবিষ্কারের জন্য ২০১৫ খ্রিষ্টাবব্দে তুরস্কের আজিজ সানকার, সুইডেনের টমাস লিন্ডহল ও যুক্তরাষ্ট্রের পল মড্রিখ যৌথভাবে রসায়নে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন। জীবন্ত কোষের জন্য এটি এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া।
তুরস্কের আজিজ সানকার একজন বায়োকেমিস্ট এবং মলিকিউলার বায়োলজিস্ট। তাঁর গবেষণার বিষয় ডিএনএ মেরামতি। তিনি এখন ইউনিভার্সিটি ক্যারোলাইনার বায়োকেমিস্টি ও বায়োফিজিক্স বিভাগে কর্মরত আছেন। সুইডেনের বিজ্ঞানী টমাস লিন্ডহল বর্তমানে যুক্তরাজ্যের ফ্রান্সিস ক্রিক ইনস্টিটিউট ও ক্লেয়ার হল ল্যাবরেটরির সঙ্গে যুক্ত আছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী পল মড্রিখ নর্থ ক্যারোলাইনার হাওয়ার্ড হিউজ মেডিক্যাল ইনস্টিটিউট এবং একই অঙ্গরাজ্যের ডিউক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব মেডিসিনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের একজন টমাস লিন্ডহল নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘নোবেল পেয়েছি জেনে আমি আনন্দে অভিভূত, এই দিনটির অনেকের মতো বছরের পর বছর ধরে আমি অপেক্ষা করেছি। আজ আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।’নোবেল কমিটির ক্লাস গুস্টাফেন বলেন, ‘পুরস্কার বিজয়ীরা প্রত্যেকেই মানবদেহে জিনবিষয়ক গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।
অতিবেগুনি রশ্মির বিকিরণ এবং ফ্রি র্যাডিক্যালস নামে পরিচিত অণুর প্রভাবে ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় পুরনো ভেঙ্গে নতুন কোষ তৈরি হওয়ার সময় ত্রুটিপূর্ণ ডিএনএগুলোরও একই প্রতিরূপ তৈরি হতে থাকে। প্রতিটি জীবদেহে প্রক্রিয়াটি প্রতিদিন লক্ষ কোটিবার সংগঠিত হচ্ছে। বিভাজনের সময় কোষ কিভাবে ডিএনএর বিকৃতি রোধ করে এই তিনজন তার পুরো প্রক্রিয়ার ছকটি তৈরি করেছেন। নোবেল পুরস্কার বাবদ ৮০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার (৯ লাখ ৭০ হাজার ডলার) তিন বিজয়ী ভাগ করে নেবেন।








বিবর্তনের ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণের উপায় উদ্ভাবনের জন্য ২০১৮ সালে রসায়নে নোবেল
ক্রিয়ো-ইলেকট্রন মাইক্রোস্কপি উদ্ভাবনের জন্য ২০১৭ সালে যৌথভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতর যন্ত্র তৈরির জন্য ২০১৬ সালে রসায়নশাস্ত্রে নোবেল পুরষ্কার
লাইট মাইক্রোস্কোপের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য ২০১৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরষ্কার
রাসায়নিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়টিকে সাইবার জগতে নিয়ে আসার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার
‘জি প্রোটিন কাপল্ড রিসেপটর’ সংক্রান্ত গবেষণায় ২০১২ সালে রসায়নে নোবেল পেলেন দুই মার্কিন গবেষক
২০১১ সালে রসায়নে এককভাবে নোবেল পুরস্কার পেলেন ইসরায়েলি বিজ্ঞানী ড্যানিয়েল শেচম্যান
২০১০ সালে রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পেয়েছেন রিচার্ড এফ. হেক, এই-ইচি নেগিশি ও আকিরা সুজুকি 