বৃহস্পতিবার ● ১৮ অক্টোবর ২০১২
প্রথম পাতা » নোবেল পুরষ্কার:রসায়ন » ‘জি প্রোটিন কাপল্ড রিসেপটর’ সংক্রান্ত গবেষণায় ২০১২ সালে রসায়নে নোবেল পেলেন দুই মার্কিন গবেষক
‘জি প্রোটিন কাপল্ড রিসেপটর’ সংক্রান্ত গবেষণায় ২০১২ সালে রসায়নে নোবেল পেলেন দুই মার্কিন গবেষক
![]()
মানবদেহের কোষ সমষ্টি কিভাবে বাইরের উদ্দীপনায় সাড়া দেয় অর্থাৎ রিসেপটরগুলো ঠিক কোন রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় তথ্য আদান-প্রদানের কাজ করে এ সংক্রান্ত গবেষণার জন্য ২০১২ সালে রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন দুই মার্কিন গবেষক রবার্ট লেফকোভিৎস এবং ব্রায়ান কোবিল্কা। তাদের এই গবেষণায় ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ও হতাশা’র মতো রোগ নিরাময়ের অত্যাধুনিক ওষুধ তৈরি করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাইরের কোন উদ্দীপনা মানব দেহের কোষে ছড়িয়ে দেয়া এবং শারীরিক প্রতিক্রিয়া দেখানোর সময় কোষের দেয়ালের সংকেত গ্রহণকারী ‘রিসেপটর’গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন: ভয় পাবার অনুভূতির তথ্যসমূহ রিসেপটরের মাধ্যমেই কোষ থেকে মস্তিষ্কে পৌঁছায় এবং মস্তিষ্ক হরমোন নিঃসরণের মাধ্যমে আমাদের ভয়ের অনুভূতি জাগিয়ে সতর্ক করে দেয়, ফলে শরীর তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
‘জি প্রোটিন কাপল্ড রিসেপটর’টি (G-protein-coupled receptors) ঠিক কোন রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় তথ্য আদান-প্রদানের কাজটি করে - সেই ব্যাপারটিই গবেষণার মাধ্যমে তুলে ধরেছেন গবেষকদ্বয়।
![]()
রবার্ট জে. লেফকোভিৎস (Robert J. Lefkowitz)
৬৯ বছর বয়স্ক যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক রবার্ট জে. লেফকোভিৎস ১৯৪৩ সালে নিউ ইয়র্কে জন্মগ্রহণ করেন। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৬ সালে ডিগ্রি নিয়ে তিনি যোগ দেন হাওয়ার্ড হিউস মেডিকেল ইনস্টিটিউটে। এছাড়া গবেষণার পাশাপাশি ডিউক ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টারে মেডিসিন ও বায়োকেমিস্ট্রির অধ্যাপক হিসাবেও কাজ করেছেন তিনি।
![]()
ব্রায়ান কে. কোবিল্কা (Brian K. Kobilka)
৫৭ বছর বয়সী ব্রায়ান কোবিল্কা ১৯৫৫ সালে লিটল ফলস-এ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮১ সালে ইয়েল থেকে ডক্টরেট করেন। বর্তমানে তিনি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ মেডিসিনে মলিকিউলার ও সেলুলার ফিজিওলজির অধ্যাপক হিসাবে কাজ করছেন।





বিবর্তনের ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণের উপায় উদ্ভাবনের জন্য ২০১৮ সালে রসায়নে নোবেল
ক্রিয়ো-ইলেকট্রন মাইক্রোস্কপি উদ্ভাবনের জন্য ২০১৭ সালে যৌথভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতর যন্ত্র তৈরির জন্য ২০১৬ সালে রসায়নশাস্ত্রে নোবেল পুরষ্কার
ক্ষতিগ্রস্ত ডিএনএ সারিয়ে তোলার কোষীয় কৌশল আবিষ্কারের জন্য ২০১৫ সালে রসায়নে নোবেল
লাইট মাইক্রোস্কোপের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য ২০১৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরষ্কার
রাসায়নিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়টিকে সাইবার জগতে নিয়ে আসার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার
২০১১ সালে রসায়নে এককভাবে নোবেল পুরস্কার পেলেন ইসরায়েলি বিজ্ঞানী ড্যানিয়েল শেচম্যান
২০১০ সালে রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পেয়েছেন রিচার্ড এফ. হেক, এই-ইচি নেগিশি ও আকিরা সুজুকি 