বৃহস্পতিবার ● ৬ অক্টোবর ২০১১
প্রথম পাতা » নোবেল পুরষ্কার:রসায়ন » ২০১১ সালে রসায়নে এককভাবে নোবেল পুরস্কার পেলেন ইসরায়েলি বিজ্ঞানী ড্যানিয়েল শেচম্যান
২০১১ সালে রসায়নে এককভাবে নোবেল পুরস্কার পেলেন ইসরায়েলি বিজ্ঞানী ড্যানিয়েল শেচম্যান

কঠিন পদার্থের পরমাণুগুলো কেবল প্রতিসম সজ্জায় অণু গঠন করে এমন প্রথাগত ধারণা পাল্টে দিয়ে ইস্রায়েল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষক ড্যানিয়েল শেচম্যান দেখান যে কোয়াসিক্রিস্টাল বা অপ্রতিসম মোজাইক রূপেও কঠিন পদার্থের অণু গঠন সম্ভব। কোয়াসিক্রিস্টাল আবিষ্কার ও তার রহস্য উদ্ঘাটন করার জন্যই তিনি এবছর এককভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
যদিও ড্যানিয়েল শেচম্যান যখন ১৯৮২ সালে তার গবেষনায় এই ধারনা উপস্থাপন করেন তখন তা চরম বিতর্কত বলে আখ্যায়িত হয়। কারণ তা ছিল প্রাকৃতিক নিয়মের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্সটিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজি’তে নিজের গবেষণা দল ছেড়ে চলে যেতেও বলা হয়েছিল তাকে।
কোয়াসিক্রিস্টাল মূলত একটি নির্দিষ্ট অনু কাঠামো। প্রকৃতিতে খনিজ পদার্থের মধ্যে একে পাওয়া গিয়েছে এবং গবেষণাগারেও তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। অণুর এই বিশেষ গঠন প্রকৃতির কারণে কঠিন পদার্থ হিসেবে এর ব্যবহারিক প্রয়োগ তাৎপর্যপূর্ণ কারণ এর তাপ ও চাপ সহ্য করার ক্ষমতা সাধারণ পদার্থের তুলনায় অনেক বেশি।





বিবর্তনের ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণের উপায় উদ্ভাবনের জন্য ২০১৮ সালে রসায়নে নোবেল
ক্রিয়ো-ইলেকট্রন মাইক্রোস্কপি উদ্ভাবনের জন্য ২০১৭ সালে যৌথভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতর যন্ত্র তৈরির জন্য ২০১৬ সালে রসায়নশাস্ত্রে নোবেল পুরষ্কার
ক্ষতিগ্রস্ত ডিএনএ সারিয়ে তোলার কোষীয় কৌশল আবিষ্কারের জন্য ২০১৫ সালে রসায়নে নোবেল
লাইট মাইক্রোস্কোপের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য ২০১৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরষ্কার
রাসায়নিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়টিকে সাইবার জগতে নিয়ে আসার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার
‘জি প্রোটিন কাপল্ড রিসেপটর’ সংক্রান্ত গবেষণায় ২০১২ সালে রসায়নে নোবেল পেলেন দুই মার্কিন গবেষক
২০১০ সালে রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পেয়েছেন রিচার্ড এফ. হেক, এই-ইচি নেগিশি ও আকিরা সুজুকি 