

শুক্রবার ● ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১১
প্রথম পাতা » সূর্যগ্রহণ » সূর্যগ্রহণের বিস্তারিত
সূর্যগ্রহণের বিস্তারিত
সূর্যগ্রহণ একটি মহাজাগতিক ঘটনা। যা সুদূর অতীত থেকে আজও পর্যন্ত মানুষকে আকৃষ্ট করছে। এই জাতীয় ঘটনা বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের আদিম কুসংস্কার বা অতিপ্রাকৃত জগতের সাথে যোগসূত্র ঘটানোর তেমন প্রয়াস পায় না বরং আধুনিকায়নের সাথে সাথে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক ও যৌক্তিক আকাঙ্খারই সহজাত জিজ্ঞাসার নিবৃত্তি ঘটানোর সুযোগ করে দেয়। সূর্যগ্রহণ সঙক্রান্ত নানা তথ্য এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সূর্যগ্রহণের নানা দিক নিয়ে এই আয়োজন।
সূর্যগ্রহণ ঘটে পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে চাঁদ অবস্থান করায়। যদিও সূর্যের চেয়ে চাঁদ অপেক্ষাকৃত অনেক ছোট এবং সূর্য চাঁদের তুলনায় পৃথিবী থেকে চারশ গুণ বেশি দূরত্বে ও আকারেও প্রায় চারশ গুণ বড়। ফলে পৃথিবীর আকাশে চাঁদ ও সূর্যকে একই সমান দেখায় অর্থাৎ পৃথিবী থেকে উভয়েরই কৌণিক আকার সমান, ০.৫ ডিগ্রী। ফলে চাঁদের ছায়া সূর্যকে পুরোপুরি আবৃত করে ফেলতে পারে এবং সূর্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। তবে চাঁদের কক্ষপথের অবস্থানের প্রেক্ষিতে নির্ভর করে সূর্যগ্রহণটি পূর্ণ নাকি আংশিক নাকি বলয় ঘটবে। চন্দ্রপথ সৌরপথের ওপর ৫ ডিগ্রী কোণে হেলে থাকে বলে কেবলমাত্র শুধু দুটি জায়গাতেই তারা পরস্পরকে ছেদ করে এবং সূর্যগ্রহণ ঘটে। পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদের কক্ষপথ আর সূর্যকে ঘিরে পৃথিবীর কক্ষপথ যদি একই সমতলে থাকতো তবে প্রতিমাসের প্রতি অমাবস্যাতেই চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে অবস্থান করত এবং সূর্যগ্রহণ ঘটতো। কিন্তু চাঁদের কক্ষপথ পৃথিবীর কক্ষপথের থেকে ৫ ডিগ্রী হেলে থাকে বলেই চাঁদ সাধারণত পৃথিবী ও সূর্যের রেখা ও পৃথিবীর ছায়ার কিছুটা ওপর বা নিচ দিয়ে চলে যায়। তাই শুধুমাত্র চন্দ্রপথ ও সৌরপথের ছেদবিন্দুর দুটি জায়গাতেই গ্রহণ সম্পন্ন হয়। তবে এক্ষেত্রে তখনই গ্রহণ ঘটবে যখন ছেদবিন্দু দুটির রেখা সূর্যের সোজাসুজি থাকবে।
এক নজরে সূর্য
|
৪.৫ বিলিয়ন বছর |
|
১৪৯,৫৯৮,০০০ কি.মি. |
|
৩২ আর্ক মিনিট |
|
৭০০,০০০ কি.মি. |
|
২ |
|
১.৪ গ্রাম/ঘন সেন্টিমিটার |
|
৩.৯ |
|
৫৭৭০ কেলভিন |
|
অভ্যন্তর থেকে বাইরের দিকের ধারাবাহিকতায় - ফটোস্ফিয়ার, ক্রোমোস্ফিয়ার, করোনা |
|
৬.০৯ |
|
১.৪১ |
|
হাইড্রোজেন ৯১%, হিলিয়াম ৯%, অন্যান্য পদার্থ ০.১% (প্রায়) |