<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>cosmicculture.science: বিজ্ঞানকে জানতে ও জানাতে</title>
	<link>https://journal.cosmicculture.org</link>
	<description>বিজ্ঞানকে জানতে ও জানাতে...</description>
	<pubDate>Thu, 14 Jul 2022 04:04:58 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=18.3</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>মহাবিশ্বের প্রারম্ভিক অবস্থার খোঁজেজেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের প্রথম রঙীন ছবি প্রকাশ</title>
		<link>https://journal.cosmicculture.org/?p=2526</link>
		<comments>https://journal.cosmicculture.org/?p=2526#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>cosmic</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান সংবাদ: মহাকাশ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.science/?p=2526</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2022/07/main_image_deep_field_smacs-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
নাসা&#8217;র জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ মহাবিশ্বের দূরবর্তী অঞ্চলের একটি স্পষ্ট ছবি প্রকাশ করেছে, যা এই টেলিস্কোপের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো গত ১২ জুলাই ২০২২ উন্মোচিত হলো। এখানে গ্যালাক্সিগুচ্ছ SMACS 0723 সহ মহাবিশ্বের একটি অতিক্ষুদ্র অংশ ধারণ করা হয়েছে। দক্ষিণ আকাশে পতত্রীমীন মণ্ডলের কাছে গ্যালাক্সিগুচ্ছ SMACS 0723 এর অবস্থান।
 ইনফ্রারেড চিত্রে দৃশ্যমান হাজার হাজার গ্যালাক্সিকে বিজ্ঞানীরা তুলনা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p align="justify"><img src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2022/07/main_image_deep_field_smacs-thumbnail.jpg" alt="গ্যালাক্সিগুচ্ছ SMACS 0723 সহ মহাবিশ্বের একটি অতিক্ষুদ্র অংশ" /></p>
<p align="justify">নাসা&#8217;র জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ মহাবিশ্বের দূরবর্তী অঞ্চলের একটি স্পষ্ট ছবি প্রকাশ করেছে, যা এই টেলিস্কোপের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো গত ১২ জুলাই ২০২২ উন্মোচিত হলো। এখানে গ্যালাক্সিগুচ্ছ SMACS 0723 সহ মহাবিশ্বের একটি অতিক্ষুদ্র অংশ ধারণ করা হয়েছে। দক্ষিণ আকাশে পতত্রীমীন মণ্ডলের কাছে গ্যালাক্সিগুচ্ছ SMACS 0723 এর অবস্থান।</p>
<p align="justify"> ইনফ্রারেড চিত্রে দৃশ্যমান হাজার হাজার গ্যালাক্সিকে বিজ্ঞানীরা তুলনা করেছেন বাড়ানো হাতের ওপরে একটি বালিকনা রাখলে ঠিক যেমনটি দেখা যাবে, ছবিটি মহাবিশ্বের সেই অতি ক্ষুদ্র অংশকেই দেখাচ্ছে। এখানে ৪৬০ কোটি বছর পূর্বের গ্যালাক্সিগুচ্ছ SMACS 0723 দেখা যাচ্ছে। এই গ্যালাক্সিগুলোর মোট ভর একটি মহাকর্ষীয় লেন্সের ন্যায় কাজ করে, যা এর পেছনে থাকা দূরবর্তী গ্যালাক্সিগুলো থেকে আসা আলোকে বাঁকিয়ে দেয়। গবেষকরা শীঘ্রই ছায়াপথের ভর, বয়স, ইতিহাস এবং গঠন সম্পর্কে আরও জানতে পারবেন, কারণ জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ  মহাবিশ্বের প্রথম দিকের গ্যালাক্সিগুলির সন্ধান করছে। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের ফলে আলো ইনফ্রারেড তরঙ্গদৈর্ঘ্যে প্রসারিত হয়েছিল, যা পর্যবেক্ষণ করার জন্যই জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ নকশা করা হয়েছে।</p>
<p align="justify"> হাবল স্পেস টেলিস্কোপের থেকে অনেক কম সময়ে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ দিয়ে এই ইনফ্রারেড ছবিটি পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। এই ডিপ ফিল্ড ইমেজটি তৈরিতে সাড়ে বারো ঘণ্টা সময় লেগেছে, যা হাবলের কয়েক সপ্তাহ লেগে যেতো। বিজ্ঞানীরা গ্যালাক্সিগুচ্ছ SMACS 0723 এর থেকেও প্রাচীন, মহাবিশ্বের প্রারম্ভিক অবস্থার অর্থাৎ প্রায় ১৩০০ কোটি বছর পূর্বের গ্যালাক্সিগুলোর সন্ধান পেয়েছেন, যা ছবিতে অনেকটা ম্লান দেখা যাচ্ছে। এই গ্যালাক্সিগুলো থেকে আলো আমাদের কাছে পৌঁছাতে কয়েকশ&#8217;কোটি বছর সময় লাগছে। আমরা বিগ ব্যাং-এর পরবর্তী একশ কোটি বছরের মধ্যে নবীনতম গ্যালাক্সিগুলোর ছবিই এখন দেখতে পাচ্ছি।</p>
<p align="justify"> জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ নিয়ে বিজ্ঞানীদের পরিকল্পনার বাইরেও হয়তো এমন কিছু আবিষ্কার হতে পারে যা বর্তমান সময় পর্যন্ত বিজ্ঞানীদের কাছে অজানা। যেমন: ১৯৯০ সালে যখন হাবল স্পেস টেলিস্কোপ চালু করা হয়েছিলো তখনও পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা ডার্ক এনার্জি সম্পর্কে কিছুই জানতেন না, এখন এটি জ্যোতির্পদার্থবিদ্যার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। কাজেই এই ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কোন নতুন তথ্য ও আবিস্কার সামনে নিয়ে আসবে তা শুধু সময়ের অপেক্ষা। বিজ্ঞানীরা শুধু এটুকুই বলছেন, এতো সবে শুরু! শেষ পর্যন্ত, ওয়েবের আসন্ন পর্যবেক্ষণগুলি জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের আরও ভালভাবে বুঝতে সাহায্য করবে যে কীভাবে গ্যালাক্সিগুলি মহাবিশ্বের প্রারম্ভিক অবস্থায় গঠিত হয়েছিলো।</p>
<p align="justify"> <em>সূত্র: নাসা</em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://journal.cosmicculture.org/?feed=rss2&amp;p=2526</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>সিন্ধু সভ্যতা আবিষ্কারের ১০০ বছরসাবর্ণ সংগ্রহশালার ষোড়শ আন্তর্জাতিক ইতিহাস উৎসব</title>
		<link>https://journal.cosmicculture.org/?p=2524</link>
		<comments>https://journal.cosmicculture.org/?p=2524#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>cosmic</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.science/?p=2524</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2022/02/saborno-2022.jpg" alt="" /></span>
ইতিহাসের নানাবিধ উপাদান এবং সংগ্রহ নিয়ে প্রতি বছরই কলকাতার বড়িশার ‘বড়বাড়ি&#8217;তে সাবর্ণ পরিবারের উদ্যোগে নিয়মিতভাবে আয়োজিত হয়ে আসছে ইতিহাস উৎসব। ইতিহাসের এই চমকপ্রদ আয়োজনটি দেশে-বিদেশের বাঙালীদের মনে-প্রাণে ঠাঁই করে নিয়েছে দারুণভাবে। সাবর্ণ রায় চৌধুরী পরিবার পরিষদের ষোড়শ আন্তর্জাতিক ইতিহাস উৎসবটি ১৩ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এবছরের আন্তর্জাতিক ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p align="justify"><img src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2022/02/saborno-2022.jpg" alt="সাবর্ণ সংগ্রহশালার ষোড়শ আন্তর্জাতিক ইতিহাস উৎসব" /><br />
ইতিহাসের নানাবিধ উপাদান এবং সংগ্রহ নিয়ে প্রতি বছরই কলকাতার বড়িশার ‘বড়বাড়ি&#8217;তে সাবর্ণ পরিবারের উদ্যোগে নিয়মিতভাবে আয়োজিত হয়ে আসছে ইতিহাস উৎসব। ইতিহাসের এই চমকপ্রদ আয়োজনটি দেশে-বিদেশের বাঙালীদের মনে-প্রাণে ঠাঁই করে নিয়েছে দারুণভাবে। সাবর্ণ রায় চৌধুরী পরিবার পরিষদের ষোড়শ আন্তর্জাতিক ইতিহাস উৎসবটি ১৩ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এবছরের আন্তর্জাতিক ইতিহাস উৎসবের থিম &#8220;সিন্ধু সভ্যতা। আর থিম কান্ট্রি হিসেবে থাকছে শ্রীলংকা ও ফ্রান্স। তুলে ধরা হবে অনেক অজানা ইতিহাস, অনেক গল্প আর ভারতের সঙ্গে এই দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক। থাকবে এই দুই দেশের হাতের কাজ, ডাকটিকিট, মুদ্রা, বই, সহ অনেক কিছু।<br />
এছাড়াও এবারের প্রদর্শনীতে যে বিষয়গুলো প্রাধান্য পাচ্ছে-</p>
<ul>
<li>প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়েছিল ১০০ বছর আগে। সেই প্রথম ইতিহাসের পাতায় উঠে এসেছিল কয়েক হাজার বছর আগে মানুষের জীবনযাপনের এক অজানা রোমাঞ্চকর অধ্যায়। সেই কাজের সঙ্গেই জড়িয়ে গিয়েছে প্রথিতযশা এক বাঙালি ঐতিহাসিকের নাম। তিনি রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিহাস আবিষ্কারের সেই ইতিহাসকেই ১০০ বছর পরে তুলে ধরা হচ্ছে। এই ভাবনা রূপায়ণের পাশাপাশি থাকবে সিন্ধু সভ্যতার সময়কার প্রায় পাঁচ হাজার বছর পুরানো দুষ্প্রাপ্য সব সগ্রহ।</li>
</ul>
<ul>
<li>দেশ বিদেশের পুতুল। পুতুলের মাধ্যমে একটা সমাজ ব্যবস্থার অনেক অজানা তথ্য জানা যায়। এবারের প্রদর্শনীতে দেশীয় পুতুলের সম্ভারে থাকবে আন্দামান থেকে শুরু করে নাগাল্যান্ড আদিবাসীদের তৈরি পুতুলসহ প্রায় দশটি দেশের পুতুল। এর কোনওটির বয়স ১০০ বছর, আবার কোনওটি ২৫০ বছরের পুরানো।</li>
<li>বেতার জগত। ভারতে রেডিও আসার পর এই রেডিও কে কেন্দ্র করে ঘটেছে অনেক ঘটনা। রয়েছে অনেক অজানা গল্প।সেগুলি উঠে আসবে এবারের প্রদর্শনীতে।</li>
<li>বিশেষ থিম রূপে থাকছে বম্বেতে হেমন্ত। হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের বম্বে যাত্রার পর কেমন ছিল ওনার পথ চলা? কি কি কাজ তিনি করেছেন? এই সব উঠে আসবে এই প্রদর্শনীতে।</li>
<li>Famous People Retrospective থিমে থাকছে বিখ্যাত অভিনেতা রবি ঘোষ কে নিয়ে দারুন একটা প্রদর্শনী। রবি ঘোষ যে একজন ভালো গল্ফ খেলোয়াড় ছিলেন তা অনেকের অজানা। অত্যন্ত ভালো ছবি আঁকতেন তিনি। ওনার ব্যবহার করা বিভিন্ন সামগ্রী, ছবি ও তথ্য প্রদর্শিত হবে।</li>
</ul>
<p>পাশাপাশি থাকছে কুইজ, হেরিটেজ ওয়াক, ওপেন হাউস ও আলোচনা সভা। পরিবারের ঐতিহ্যবাহী হাতে লেখা পত্রিকা সপ্তর্ষির দ্বাত্রিংশত্তম সংখ্যা প্রকাশিত হবে এবছর। ১৫ই ফেব্রুয়ারি গীতির জাদুকর প্রণব রায় স্মরণে পালিত হবে প্রণব রায় দিবস, থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এবছরের স্বামী যোগানন্দ স্মৃতি সম্মান দেওয়া হবে বিখ্যাত কবি সুবোধ সরকারকে, আর প্রণব রায় স্মৃতি সম্মান দেওয়া হবে বিখ্যাত গায়ক শ্রীকান্ত আচার্যকে। আর বৈশাখী রায় চৌধুরী মেমোরিয়াল স্কলারশিপ দেওয়া হবে ভয়েস অব দ্য ওয়ার্ল্ডের একজন দুস্থ ছাত্রীকে।<br />
পরিষদের সম্পাদক দেবর্ষি রায় চৌধুরী মনে করেন, কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনেই এবার উৎসুক বাঙালীরা সাবর্ণ সংগ্রহশালার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এই দুর্লভ আয়োজন চাক্ষুষ করতে পারবেন। ইতিহাসপ্রেমীরা কিছুটা হলেও সমৃদ্ধ সংগ্রহের স্বাদ আস্বাদন করবেন নিঃসন্দেহে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://journal.cosmicculture.org/?feed=rss2&amp;p=2524</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>অধ্যাপক ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী এ. এম. হারুন-অর-রশীদ আর নেই</title>
		<link>https://journal.cosmicculture.org/?p=2522</link>
		<comments>https://journal.cosmicculture.org/?p=2522#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>cosmic</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[শ্রদ্ধা ও স্মরণ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.science/?p=2522</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2021/10/244856168_10224299796416342_2480312478657709396_n-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
অধ্যাপক ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী এ. এম. হারুন-অর-রশীদ দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে অসুস্থ্য থাকার পরে আজ সকালে শেষ নিঃশ্বাষ ত্যাগ করেন। দেশের তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান চর্চার অন্যতম পুরোধা ছিলেন তিনি। তিনি ১৯৩৩ সালের ১ মে বরিশালের নলছিটির বাহাদুরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।  তাঁর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2021/10/244856168_10224299796416342_2480312478657709396_n-thumbnail.jpg" alt="অধ্যাপক ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী এ. এম. হারুন-অর-রশীদ (ছবি: সংগৃহীত)" /><br />
অধ্যাপক ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী এ. এম. হারুন-অর-রশীদ দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে অসুস্থ্য থাকার পরে আজ সকালে শেষ নিঃশ্বাষ ত্যাগ করেন। দেশের তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান চর্চার অন্যতম পুরোধা ছিলেন তিনি। তিনি ১৯৩৩ সালের ১ মে বরিশালের নলছিটির বাহাদুরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।  তাঁর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://journal.cosmicculture.org/?feed=rss2&amp;p=2522</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ভাইরাসখেকো অনুজীবের সন্ধানে - এমরান আহমেদ</title>
		<link>https://journal.cosmicculture.org/?p=2515</link>
		<comments>https://journal.cosmicculture.org/?p=2515#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>cosmic</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান নিবন্ধ: প্রকৃতি  ও পরিবেশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.science/?p=2515</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2021/09/041319-reviews-predator-feat-1601292155-thumbnail.jpg" alt="" /></span>এই পৃথিবীতে প্রাণের বৈচিত্র্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। তাদের ভেতরে শুধু বৃহদাকার প্রাণীই নয়, নানা ধরনের আণুবীক্ষণিক অনুজীবের সংখ্যা গুণে শেষ করা যাবে না। ভাইরাস হল তেমনই এক বিশেষ প্রজাতির অনুজীব। এরা এক ধরনের অতি আণুবীক্ষণিক রোগ সৃষ্টিকারী অনুজীব, যারা কোন প্রাণীর শুধুমাত্র জীবিত কোষের ভেতর প্রতিলিপি তৈরি করতে পারে। প্রকৃতির লক্ষ লক্ষ প্রজাতির ভাইরাসের ভেতর ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>এই পৃথিবীতে প্রাণের বৈচিত্র্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। তাদের ভেতরে শুধু বৃহদাকার প্রাণীই নয়, নানা ধরনের আণুবীক্ষণিক অনুজীবের সংখ্যা গুণে শেষ করা যাবে না। ভাইরাস হল তেমনই এক বিশেষ প্রজাতির অনুজীব। এরা এক ধরনের অতি আণুবীক্ষণিক রোগ সৃষ্টিকারী অনুজীব, যারা কোন প্রাণীর শুধুমাত্র জীবিত কোষের ভেতর প্রতিলিপি তৈরি করতে পারে। প্রকৃতির লক্ষ লক্ষ প্রজাতির ভাইরাসের ভেতর মাত্র ৯০০০ এর মতো প্রজাতি সম্পর্কে আমরা এখনো পর্যন্ত জানতে পেরেছি!<br />
<img src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2021/09/041319-reviews-predator-feat-1601292155-thumbnail.jpg" alt="ভাইরাসখেকো অনুজীব" /><br />
পৃথিবীর প্রায় সকল ইকোসিস্টেমে ভাইরাসের অস্তিত্ব রয়েছে। কোন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হবার সাথে সাথেই আক্রমণকারী ভাইরাসের প্রায় অবিকল অসংখ্য কপি তৈরি করতে হোস্ট সেল বাধ্য হয়। ভাইরাস যখন কোন জীবিত কোষের বাইরে থাকে, তখন তারা বিশেষ স্বতন্ত্র কণা হিসেবে অবস্থান করে, এদের ভিরিয়ন বলা হয়। অনেক বিজ্ঞানীই ভাইরাসকে জীবিত অস্তিত্ব বলে মনে করেন। কারণ এদের জৈবনিক উপাদান রয়েছে। তাছাড়া এরা প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিবর্তিত হতে পারে। কোন কিছুকে যদি আমরা প্রাণী বলতে চাই, তার এই গুণগুলো থাকা আবশ্যক। তারপরও প্রাণের কথা বলতে গেলে আরও কিছু বৈশিষ্ট্য থাকা দরকার, যা ভাইরাসের ভেতরে নেই। তাই তাদের বলা হয়, অর্গানিজম অ্যাট দ্যা এজ অফ লাইফ।</p>
<p><img src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2021/09/covid.jpg" alt="খুবই অল্প সময়ে মিউটেশনে সক্ষম পৃথিবীকে লন্ডভন্ড করে ফেলা কোভিড ১৯ ভাইরাস" /></p>
<p>সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা হঠাৎ করেই ভাইরাসখেকো অনুজীবের সন্ধান পেয়েছেন। তারা মূলত নিজেদের খাদ্যের চাহিদা মেটাতে ভাইরাসের উপর আক্রমণ করে থাকে। পৃথিবীর সর্বত্রই ভাইরাল বায়োমাসের সন্ধান পাওয়া যায়, এমনকি আমাদের বায়ুমন্ডল কিংবা সাগর মহাসাগরগুলোতেও তারা বিচরণ করছে। ভাইরাসের ভেতর দুটি রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি বেশি থাকে। তাদের একটি হল নাইট্রোজেন, অপরটি ফসফরাস। কার্বন সমৃদ্ধ খাবারের ক্ষেত্রে এই দুটি উপাদান গুরুত্বপূর্ণ পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। কার্বন সমৃদ্ধ মেরিন কলয়েডগুলোও এর অন্তর্ভুক্ত।</p>
<p>বিজ্ঞানীরা গবেষনা করে জানতে পেরেছেন, একটি ভাইরাসের প্রজাতি অপর বিভিন্ন প্রজাতির ভাইরাসের সাথে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত তাদের বিবর্তন ঘটাচ্ছে। তারা একে অপরের জৈব গাঠনিক উপাদানগুলো একে অপরের থেকে ছিনিয়ে নিতেও সক্ষম! এই অনুজীবগুলো ভিরিয়ন পার্টিকেল গুলোকে ফাঁদে আটকে তাদের শক্তির উৎস বা পুষ্টি উপাদান হিসেবে ব্যবহার করতে পারে, এমন কোন শক্ত প্রমাণ ক&#8217;দিন আগেও বিজ্ঞানীদের হাতে ছিল না। কিন্তু কিছুদিন আগে উত্তর আমেরিকার সমুদ্র উপকূলে দুটি বিশেষ প্রজাতির এককোষী অনুজীবের সন্ধান পাওয়া যায়। বিজ্ঞানীদের কাছে এই দুটি অনুজীবের অস্তিত্ব প্রথমবারের মত সত্যিকারের ভাইরোফেজের নিদর্শন বলে মনে করা হচ্ছে।</p>
<p><img src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2021/09/sputnik_virophage.png" alt="স্পুটনিক ভাইরোফেজ" /></p>
<p>প্রায় ১৭০০ এর বেশি প্লাংকটন কোষ পরীক্ষা করবার পর বিজ্ঞানীরা এই ভাইরাসখেকো অনুজীবের সন্ধান পান। ভূমধ্যসাগর এবং উত্তর আমেরিকার উপকূলের পানি থেকে নমুনা সংগ্রহ করবার পর তারা এই একেকটি অনুজীবের ভেতরে তাদের ডিএনএ গুলোকে বিবর্ধিত করেন। এভাবে তৈরি হয় একেকটি জিনোমিক লাইব্রেরি। এদের অনেকগুলো সিকোয়েন্স অনুজীবগুলোর নিজেদের সাথে মিলে যায়।</p>
<p>এছাড়া মেডিটেরিয়াল স্যাম্পলের উপর গবেষণা করে কিছু সিকোয়েন্স পাওয়া যায়,যেগুলোর ব্যাকটেরিয়ার সাথে সম্পর্কিত। প্লাংকটন সাধারণত খাবার হিসেবে এদের ব্যবহার করেছিল। কিন্তু উত্তর আমেরিকার উপকূল থেকে যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, সেখানকার সিকোয়েন্সে ভাইরাসের অস্তিত্ব বেশি খুঁজে পাওয়া যায়।এখানে জিনোমিক লাইব্রেরীর স্নিপ্পেটগুলোর ভেতর প্রায় ৫০বা তারও বেশি ধরনের বিভিন্ন ভাইরাসের জিনের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। আবার মেডিটেরিয়ান নমুনার বেশিরভাগই ব্যাকটেরিওফাজ। এরা বিশেষ ধরনের ভাইরাস যারা ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ এবং তার শরীরে রেপ্লিকেশন করতে পারে। সামুদ্রিক প্রোটোজোয়াদের জন্য ব্যাকটেরিয়া একটি অন্যতম খাদ্যের উৎস।</p>
<p><img src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2021/09/bactariophage.jpg" alt="ব্যাকটেরিওফেজের গ্রাফিক্যাল প্রেজেন্টেশন" /></p>
<p>তাই ব্যাকটেরিয়োফাজের পাশাপাশি প্রকৃতিতে এমন ভাইরোফাজ বা ভাইরাসখেকো অনুজীবের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া তেমন কোন অবাক করা বিষয় নয়। তবে নতুন আবিস্কৃত এই কোলানোজোয়া এবং পিকোজোয়া প্রজাতির অনুজীবের কাজকর্ম কিন্তু কিছুটা অস্বাভাবিকই বটে। প্রথমত,তাদের ভেতর কেন ব্যাকটেরিয়াল ডিএনএ খুঁজে পাওয়া যায় নি। দ্বিতীয়ত পরীক্ষায় এই দুটি ভিন্ন প্রজাতির অনুজীব প্রায় একই ধরনের ভাইরাল সিকোয়েন্স প্রদর্শন করে! এই নতুন অনুজীবগুলো প্রাকৃতিক পরিবেশে খাদ্যশৃংখলা কিভাবে পরিচালিত হয়,সে ব্যাপারে আমাদের প্রচলিত ধারণা আমূল বদলে দেবে। বদলে দেবে প্রকৃতিতে খাদ্য উপাদানের পরিবহণের ধারা সম্পর্কে গবেষণা। এই অনুজীবগুলো আবিস্কারের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধিতে নতুন ধরনের জৈব প্রযুক্তিভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবস্থার উদ্ভাবন এখন আরও সহজ হবে।</p>
<p><em>তথ্যসূত্র :</em></p>
<ul>
<li><em> https://en.m.wikipedia.org/wiki/Virophage Virophages are 0smalldouble 2Dstranded,virus for their replication.</em></li>
<li><em> https://www.nature.com/articles</em></li>
<li><em> https://www.virology.ws/2011/03/22/virophage-the-virus-eater</em></li>
<li><em> https://journals.plos.org/plospathogens/article.journal</em></li>
</ul>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://journal.cosmicculture.org/?feed=rss2&amp;p=2515</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ব্ল্যাকহোল থেকে আলোকরশ্মির নির্গমন! পূর্ণতা মিলল আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের</title>
		<link>https://journal.cosmicculture.org/?p=2497</link>
		<comments>https://journal.cosmicculture.org/?p=2497#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>cosmic</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান সংবাদ: মহাকাশ]]></category>

		<category><![CDATA[কৃষ্ণগহ্বর]]></category>

		<category><![CDATA[সাধারণ আপেক্ষিকতা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.science/?p=2497</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2021/08/black-hole-light-einstein-scn.jpg" alt="" /></span>প্রথমবারের মতো বিজ্ঞানীরা কৃষ্ণগহ্বরের আড়াল থেকে আলোকরশ্মির সন্ধান পেয়েছেন,যা আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্বের একটি ভবিষ্যদ্বাণী পূরণ করেছে। বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে প্রমাণিত হয়েছে যে আলোর গতিকে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি প্রভাবিত করতে পারে।
সম্প্রতি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড্যান উইলকিনস এবং তার সহকর্মীরা এক্স-রে পর্যবেক্ষণ করেছেন যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৮০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে আই জুইকি-১ ছায়াপথের ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p align="justify"><img src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2021/08/black-hole-light-einstein-scn.jpg" alt="কৃষ্ণগহ্বরের এক্স-রে বিচ্ছুরণ" />প্রথমবারের মতো বিজ্ঞানীরা কৃষ্ণগহ্বরের আড়াল থেকে আলোকরশ্মির সন্ধান পেয়েছেন,যা আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্বের একটি ভবিষ্যদ্বাণী পূরণ করেছে। বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে প্রমাণিত হয়েছে যে আলোর গতিকে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি প্রভাবিত করতে পারে।<br />
সম্প্রতি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড্যান উইলকিনস এবং তার সহকর্মীরা এক্স-রে পর্যবেক্ষণ করেছেন যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৮০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে আই জুইকি-১ ছায়াপথের কেন্দ্রে অবস্থিত একটি অতিভরের কৃষ্ণগহ্বর থেকে বেরিয়ে আসছে। এই কৃষ্ণগহ্বরটি আয়তনে সূর্যের থেকেও প্রায় ১০ কোটি গুণ বড়ো। কৃষ্ণগহ্বরে মহাকর্ষীয় বলের মান এত বেশি হয়, ফলে তা মহাবিশ্বের অন্য সব বলকে অতিক্রম করে। তাই কোনো কিছুই কৃষ্ণগহ্বরের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসেতে পারে না। এমনকি আলো বা বিদ্যুৎ-চুম্বকীয় বিকিরণও নয়। যদিও একটি কৃষ্ণগহ্বর থেকে আলো বের হতে পারে না, তবে এর চারপাশের বিশাল মাধ্যাকর্ষণ উপাদানগুলিকে কয়েক লক্ষ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত গরম করতে পারে। এটি রেডিও তরঙ্গ এবং এক্স-রে বিচ্ছুরিত করতে পারে। কৃষ্ণগহ্বরের বিশাল মাধ্যাকর্ষণ গ্যাসের কণাগুলি থেকে ইলেকট্রন পৃথক করে প্লাজমা তৈরি করে। এই পৃথকীকৃত ইলেকট্রনগুলিই চুম্বকীয় ক্ষেত্রের সংস্পর্শে এক্স-রে&#8217;র জন্ম দেয়।<br />
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, কৃষ্ণগহ্বরের চারিদিকে আয়নিত গ্যাস এবং ধূলিকণার একটি ঘূর্ণায়মান ডিস্ক তৈরি হয়। কৃষ্ণগহ্বর থেকে নির্গত এক্স-রে পথ পরিবর্তন করে প্রতিফলিত হয় এই ডিস্কে, সেই প্রতিফলিত আলোর বিচ্ছুরণই দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। সম্প্রতি বিজ্ঞান জার্নাল ন্যাচারে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞানীর আশা প্রকাশ করছেন, এই এক্স-রে বিচ্ছুরণের মাধ্যমে ব্ল্যাকহোলের আভ্যন্তরীণ গঠনের বিস্তারিত তথ্য জানা সম্ভব হবে।<br />
আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা মতে, ঘটনা দিগন্তের (কোন একটি ঘটনার স্থান-কাল এর সীমানা) বাইরে অবস্থিত কোন পর্যবেক্ষকের উপর এর কোন প্রভাব পড়ে না। এখানে মাধ্যাকর্ষণ টান এতই শক্তিশালী হয় যে, ঘটনা দিগন্তের ভেতর থেকে নিক্ষিপ্ত আলো এর বাইরের পর্যবেক্ষকের কাছে পৌঁছুতে পারে না। একইভাবে এর বাইরে থেকে আসা কণার গতিও ধীর হয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয় এবং তা দিগন্তকে পুরোপুরি অতিক্রম করে না, বরং সময়ের সাথে-সাথে এটির লোহিত সরণ বাড়তে থাকে।<br />
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং গবেষণা প্রবন্ধটির সহ-রচয়িতা রজার ব্ল্যান্ডফোর্ড বলেন, &#8220;পঞ্চাশ বছর আগে, যখন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা কোন চুম্বকীয় ক্ষেত্র একটি কৃষ্ণগহ্বরের কাছাকাছি কিভাবে আচরণ করতে পারে তা নিয়ে অনুমান করা শুরু করেছিলেন, তখন তাদের ধারণা ছিল না যে একদিন আমাদের এটিকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করার কৌশল থাকতে পারে এবং আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব কাজে লাগাতে পারে।&#8221;<br />
<font color="#999999"><em><br />
<font color="#808080">সূত্র: সিএনএন<br />
২ আগস্ট ২০২১ খ্রি.</font></em></font></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://journal.cosmicculture.org/?feed=rss2&amp;p=2497</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>উচ্চমাত্রায় অক্সিজেন সহায়তায় বুয়েটের উদ্ভাবন: অক্সিজেট</title>
		<link>https://journal.cosmicculture.org/?p=2499</link>
		<comments>https://journal.cosmicculture.org/?p=2499#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>cosmic</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অর্জন/সাফল্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.science/?p=2499</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2021/08/oxyzet-thumbnail.jpg" alt="" /></span>বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. তওফিক হাসানের নেতৃত্বে উচ্চমাত্রায় অক্সিজেন সরবরাহের জন্য ‘অক্সিজেট&#8217; নামের ডিভাইস উদ্ভাবিত হয়েছে। ডিভাইসটি দিয়ে হাসপাতালের সাধারণ বেডেই ৬০ লিটার পর্যন্ত হাই ফ্লো অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব।
করোনা মহামারীতে অসুস্থ্য মানুষদের অক্সিজেন অত্যাবশ্যকীয় হলেও অক্সিজেন সংকটে রোগীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের উচ্চমাত্রায় অক্সিজেন সরবরাহের জন্য আইসিইউ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p align="justify"><img src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2021/08/oxyzet-thumbnail.jpg" alt="বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত ‘অক্সিজেট’ ডিভাইস, ছবি সূত্র: BUETian - বুয়েটিয়ান" />বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. তওফিক হাসানের নেতৃত্বে উচ্চমাত্রায় অক্সিজেন সরবরাহের জন্য ‘অক্সিজেট&#8217; নামের ডিভাইস উদ্ভাবিত হয়েছে। ডিভাইসটি দিয়ে হাসপাতালের সাধারণ বেডেই ৬০ লিটার পর্যন্ত হাই ফ্লো অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব।<br />
করোনা মহামারীতে অসুস্থ্য মানুষদের অক্সিজেন অত্যাবশ্যকীয় হলেও অক্সিজেন সংকটে রোগীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের উচ্চমাত্রায় অক্সিজেন সরবরাহের জন্য আইসিইউ বা হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলার প্রয়োজন হয়। দেশের হাসপাতালগুলোর সাধারণ বেডে রোগীকে প্রতি মিনিটে সর্বোচ্চ ১৫ লিটার পর্যন্ত অক্সিজেন দেওয়া যায়। এর বেশি অক্সিজেনের দরকার হলে হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা লাগে অথবা আইসিইউতে নিতে হয় কিন্তু বিশেষ ওই ক্যানুলা ও আইসিইউ দুটোরই সংকট থাকায় অনেক রোগীকে পর্যাপ্ত অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব হয় না।<br />
বুয়েটের উদ্ভাবিত এই ডিভাইসটির মাধ্যমে তীব্র শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীদেরও হাসপাতালের সাধারণ বেডে রেখেই উচ্চমাত্রায় অক্সিজেন-সহায়তা দেওয়া যাবে। যন্ত্রটির উৎপাদন খরচও খুব বেশি নয়। একটি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলার জন্য খরচ যেখানে ২ থেকে ৫ লাখ টাকা, সেখানে বুয়েটের আবিষ্কৃত ডিভাইসটির উৎপাদন খরচ পড়বে মাত্র ২০-২৫ হাজার টাকা এবং এটি চলবে বিদ্যুৎ ছাড়াই। বাণিজ্যিক উৎপাদনে গেলে এই খরচ আরও কমে আসবে বলে মনে করেন উদ্ভাবকরা।<br />
অক্সিজেটটে একটির জায়গায় দুটি ফ্লো-মিটার, একটি ১৫ ও আরেকটি ৫০ লিটারের ব্যবহার করা যাবে। অক্সিজেট নিম্নচাপ তৈরি করে পরিবেশ থেকে আরও বাতাস নেয়। দ্বিতীয় সংযোগে ৫০ লিটার পর্যন্ত অক্সিজেন থাকে, যাতে প্রয়োজনে মোট ৬০ লিটার পর্যন্ত অক্সিজেন দেওয়া যায়। অক্সিজেটে ব্যবহৃত মাস্কটি নন-ভেন্টেড সিপ্যাপ মাস্ক, যা মুখের সাথে আঁটসাটভাবে আটকানো থাকে। এর সাথে একটি পিপ ভালভ যুক্ত করে রোগীর জন্য অক্সিজেনের চাপ কত হবে তা নিয়ন্ত্রণ করা হয়।<br />
সহকারী অধ্যাপক ড. তওফিক হাসানের নেতৃত্বে  আরও ছিলেন তাঁর চার ছাত্র মীমনুর রশিদ, ফারহান মুহিব, কায়সার আহমেদ ও কাওসার আহমেদ। পরে বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁদের সহযোগিতা করেন জৈবচিকিৎসা প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ তারিক আরাফাত, সহকারী অধ্যাপক জাহিদ ফেরদৌস ও সাঈদুর রহমান।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://journal.cosmicculture.org/?feed=rss2&amp;p=2499</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>প্রথম চন্দ্রাভিযানের নভোচারী মাইকেল কলিন্স এর জীবনাবসান</title>
		<link>https://journal.cosmicculture.org/?p=2493</link>
		<comments>https://journal.cosmicculture.org/?p=2493#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>cosmic</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান সংবাদ: মহাকাশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.science/?p=2493</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2021/04/april-28-2021-astronaut-michael-collins-dies-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘদিন লড়াইয়ের পর ২৮ এপ্রিল ২০২১ জীবনাবসান ঘটে প্রথম মনুষ্যবাহী চন্দ্রাভিযান অ্যাপোলো-১১ এর নভোচারী মাইকেল কলিন্সের। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। ১৯৬৯ সালের ২১ জুলাই মনুষ্যবাহী প্রথম চন্দ্রাভিযানের তিন সদস্যের মধ্যে একজন ছিলেন মাইকেল কলিন্স। তিনি অবশ্য চাঁদে অবতরণ করেননি। কম্যান্ড মডিউল পাইলট হিসেবে কলম্বিয়া মডিউলের ভিতরে চাঁদের কক্ষপথে ছিলেন তিনি। তাঁর সহ-অভিযাত্রী ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p align="justify"><img src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2021/04/april-28-2021-astronaut-michael-collins-dies-thumbnail.jpg" alt="অ্যাপোলো-১১ এর নভোচারী মাইকেল কলিন্স" /><br />
ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘদিন লড়াইয়ের পর ২৮ এপ্রিল ২০২১ জীবনাবসান ঘটে প্রথম মনুষ্যবাহী চন্দ্রাভিযান অ্যাপোলো-১১ এর নভোচারী মাইকেল কলিন্সের। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। ১৯৬৯ সালের ২১ জুলাই মনুষ্যবাহী প্রথম চন্দ্রাভিযানের তিন সদস্যের মধ্যে একজন ছিলেন মাইকেল কলিন্স। তিনি অবশ্য চাঁদে অবতরণ করেননি। কম্যান্ড মডিউল পাইলট হিসেবে কলম্বিয়া মডিউলের ভিতরে চাঁদের কক্ষপথে ছিলেন তিনি। তাঁর সহ-অভিযাত্রী নীল আর্মস্ট্রং ও এডুইন অলড্রিন এই অভিযানে চাঁদের মাটিতে পদার্পণ করেন। ১৯৫ ঘণ্টা, ১৮ মিনিট এবং ৩৫ সেকেন্ড মহাকাশে কাটিয়ে ২৪ জুলাই পৃথিবীতে ফিরে আসেন তাঁরা।<br />
মাইকেল কলিন্স ১৯৩০ সালে ইতালির রোমে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন মার্কিন সেনাবাহিনীর একজন মেজর জেনারেল। তিনি ওয়েস্ট পয়েন্টের মার্কিন সামরিক একাডেমি থেকে স্নাতক শেষে বিমান বাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৬৩ সালে নাসা তাকে নভোচারী হিসেবে বেছে নিয়েছিল। তার প্রথম মহাকাশ যাত্রা ছিল জেমিনি-১০ অভিযান। অ্যাপোলো-১১ ছিল তার দ্বিতীয় ও সর্বশেষ অভিযান।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://journal.cosmicculture.org/?feed=rss2&amp;p=2493</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>মঙ্গলে ইনজেনুইটি’র নতুন সাফল্য</title>
		<link>https://journal.cosmicculture.org/?p=2495</link>
		<comments>https://journal.cosmicculture.org/?p=2495#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>cosmic</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান সংবাদ: মহাকাশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.science/?p=2495</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2021/04/april-26-2021-ingenuity-sets-new-speed.jpg" alt="" /></span>
মঙ্গলের আকাশে নাসার তৈরি মিনি হেলিকপ্টার ইনজেনুইটি তৃতীয়বারের মতো উড়ে প্রতি ঘন্টায় ৪.৫ মাইল গতিবেগ অর্জন করেছে। যা এটির নতুন সাফল্য।
‘ইনজেনুইটি&#8217; নামের ১ দশমিক ৮ কেজি ওজনের এই উড়োযানটিকে হেলিকপ্টার বলা হলেও আসলে এটি একটি ছোট আকারের ড্রোনের মতোই। গত কয়েক বছরে এই যানটিকে মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলের জন্যে উপযোগী করে তোলা হয়েছে।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2021/04/april-26-2021-ingenuity-sets-new-speed.jpg" alt="মিনি হেলিকপ্টার ইনজেনুইটি" /><br />
মঙ্গলের আকাশে নাসার তৈরি মিনি হেলিকপ্টার ইনজেনুইটি তৃতীয়বারের মতো উড়ে প্রতি ঘন্টায় ৪.৫ মাইল গতিবেগ অর্জন করেছে। যা এটির নতুন সাফল্য।<br />
‘ইনজেনুইটি&#8217; নামের ১ দশমিক ৮ কেজি ওজনের এই উড়োযানটিকে হেলিকপ্টার বলা হলেও আসলে এটি একটি ছোট আকারের ড্রোনের মতোই। গত কয়েক বছরে এই যানটিকে মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলের জন্যে উপযোগী করে তোলা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://journal.cosmicculture.org/?feed=rss2&amp;p=2495</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>শুক্র গ্রহে প্রাণের সম্ভাব্য নির্দেশকের সন্ধান লাভ</title>
		<link>https://journal.cosmicculture.org/?p=2491</link>
		<comments>https://journal.cosmicculture.org/?p=2491#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>cosmic</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান সংবাদ: মহাকাশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.cosmicculture.science/?p=2491</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/09/eso2015a-thumbnail.jpg" alt="" /></span>আজ জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একটি আন্তর্জাতিক গবেষক দল শুক্র গ্রহের মেঘের মধ্যে একটি বিরল অণু - ফসফিন - আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে। পৃথিবীতে এই গ্যাসটি কেবলমাত্র শিল্পজাত অথবা অক্সিজেন রয়েছে এমন পরিবেশে থাকা ব্যাকটেরিয়া এই গ্যাস নিঃসরণ করে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা কয়েক দশক ধরেই অনুমান করেছিলেন যে শুক্রের উচ্চ মেঘে অণুজীবের আবাসস্থল হতে পারে - তবে সেই অণুজীবের উচ্চ ঘনত্বের ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p align="justify"><img src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/09/eso2015a-thumbnail.jpg" alt="ফসফিনের সন্ধান লাভের মধ্যে দিয়ে শুক্র গ্রহে বহির্জাগতিক প্রাণের অস্তিত্ব প্রমাণিত হতে পারে" />আজ জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একটি আন্তর্জাতিক গবেষক দল শুক্র গ্রহের মেঘের মধ্যে একটি বিরল অণু - ফসফিন - আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে। পৃথিবীতে এই গ্যাসটি কেবলমাত্র শিল্পজাত অথবা অক্সিজেন রয়েছে এমন পরিবেশে থাকা ব্যাকটেরিয়া এই গ্যাস নিঃসরণ করে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা কয়েক দশক ধরেই অনুমান করেছিলেন যে শুক্রের উচ্চ মেঘে অণুজীবের আবাসস্থল হতে পারে - তবে সেই অণুজীবের উচ্চ ঘনত্বের অম্লীয় পরিবেশে টিকে থাকার সক্ষমতা থাকা দরকার। ফসফিনের সন্ধান লাভের মধ্যে দিয়ে শুক্র গ্রহে বহির্জাগতিক বায়বীয় প্রাণের অস্তিত্ব প্রমাণিত হতে পারে।</p>
<p>একটি ফসফরাস পরমাণু ও তিনটি হাইড্রোজেনের পরমানুর মিলে ফসফিন গ্যাসের একটি অণু তৈরি হয়। পৃথিবীতে ফসফিন জীবনের সাথে সম্পৃক্ত - অণুজীবদের পেঙ্গুইনের মতো প্রাণীর অন্ত্রে ও অক্সিজেন স্বল্প পরিবেশ যেমন জলাভূমিতে পাওয়া যায়, যারা ফসফিন উৎপন্ন করে থাকে। কিন্তু শুক্র গ্রহে ফসফিন উৎপন্ন হওয়ার কারণ সুনির্দিষ্টভাবে জানা গেলে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাব্য ধারণা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।</p>
<p>আন্তর্জাতিক গবেষক দলে যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানের গবেষকরা রয়েছেন। তারা অনুমান করেন যে শুক্রের মেঘে সামান্য ঘনত্বের মধ্যে ফসফিন উপস্থিত রয়েছে, প্রতি একশ কোটিতে প্রায় বিশটি অণু রয়েছে। তাদের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে এই পরিমাণগুলি গ্রহের স্বাভাবিক অ-জৈবিক প্রক্রিয়া থেকে আসতে পারে কিনা তা দেখার জন্য তারা হিসেব কষেছেন। উৎস সম্পর্কে তাদের কয়েকটি ধারণার মধ্যে রয়েছে সূর্যের আলো, খনিজগুলির পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে উঠে আসা, আগ্নেয়গিরি বা বজ্রপাত। তবে এগুলির কোনোটিই কাছাকাছি কোথাও পর্যাপ্তভাবে তৈরি হয়নি। এই অ-জৈবিক উৎসগুলি সর্বোচ্চ দশ হাজার ভাগের একভাগ পরিমাণ ফসফিন তৈরি করতে পেরেছে।</p>
<p>&#8220;যখন আমরা শুক্রের বর্ণালীতে ফসফিনের প্রথম ইঙ্গিত পেয়েছি, তখন এটি ছিল আমাদের জন্য একটি ধাক্কা!&#8221; এমনটাই বলছিলেন যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের জেন গ্রাভস, যিনিই প্রথম জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল টেলিস্কোপ দিয়ে পর্যবেক্ষণে ফসফিনের চিহ্ন খুঁজে পান। গবেষকরা জানান, শুক্রে যে পরিমাণ ফসফিনের অস্তিত্ব সনাক্ত করা গিয়েছে সেই পরিমাণ ফসফিন উৎপন্ন করতে বহির্জাগতিক অণুজীবদের তাদের সর্বোচ্চ উৎপাদনশীলতা শতকরা দশ ভাগ কাজে লাগাতে হবে। পৃথিবীর ফসফিন উৎপাদনে সক্ষম ব্যাকটেরিয়াগুলো খনিজ বা জৈব বস্তু থেকে ফসফেট গ্রহণ করে, এর সাথে হাইড্রোজেন যুক্ত করে এবং  অবশেষ হিসেবে ফসফিনকে নিঃসরণ করে। শুক্রের যেকোনও অনূজীবই হয়তো পৃথিবীর অনূজীব থেকে অনেকটাই আলাদা হবে, তবে তারাও বায়ুমণ্ডলে ফসফিনের উৎস হতে পারে।</p>
<p>গবেষক দলটি বিশ্বাস করে যে তাদের আবিষ্কারটি তাৎপর্যপূর্ণ কারণ তারা ফসফিন তৈরির জন্য অনেক বিকল্প উপায়ের কথা বলতে পারে, তবে প্রাণের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে আরও অনেক বেশি কাজ করা প্রয়োজন। যদিও শুক্রের উচ্চ মেঘের তাপমাত্রা খুবই সহনীয় - ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে অত্যন্ত অম্লীয় - প্রায় নব্বই ভাগ সালফিউরিক অ্যাসিড, যা সেখানে প্রাণের টিকে থাকার জন্য বড় সমস্যা।</p>
<p><em>সূত্র: ইউরোপিয়ান সাউদার্ণ অবজারভেটরি</em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://journal.cosmicculture.org/?feed=rss2&amp;p=2491</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আফ্রিকায় ৫০ বছর পরে নতুনভাবে হস্তিছুঁচোর দেখা মিলল</title>
		<link>https://journal.cosmicculture.org/?p=2482</link>
		<comments>https://journal.cosmicculture.org/?p=2482#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>cosmic</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান সংবাদ: জীববিদ্যা ও বিবর্তন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.cosmicculture.science/?p=2482</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/08/elephant-shrew-rediscovered-in-africa-after-50-years.jpg" alt="" /></span>শুঁড়ের জন্য দেখতে অনেকটা হাতির মতো, তবে আকারে ছোট্ট ইদুরের সমান, ঠিক এরকম একটি স্তন্যপায়ী প্রাণির প্রায় ৫০ বছর পরে আফ্রিকাতে নতুন করে সন্ধান মিলল। বৈজ্ঞানিক রেকর্ড থেকে জানা যায় প্রাণিটিকে আফ্রিকার জিবুতিতে সর্বশেষ ১৯৭০ সালে দেখতে পাওয়া গিয়েছিল।
এলিফ্যান্ট শ্রু, বাংলায় হস্তিছুঁচো মোটেই হাতি বা ছুঁচো নয়, কিন্তু এটি পতঙ্গভুক স্তন্যপায়ী প্রাণি আর্ডভার্ক, হাতি ও ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p align="justify"><img src="https://journal.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/08/elephant-shrew-rediscovered-in-africa-after-50-years.jpg" alt="নাম হস্তিছুঁচো হলেও আকারে এতোটাই ছোট যে অনায়াসে হাতের তালুতে জায়গা করে নেয়" />শুঁড়ের জন্য দেখতে অনেকটা হাতির মতো, তবে আকারে ছোট্ট ইদুরের সমান, ঠিক এরকম একটি স্তন্যপায়ী প্রাণির প্রায় ৫০ বছর পরে আফ্রিকাতে নতুন করে সন্ধান মিলল। বৈজ্ঞানিক রেকর্ড থেকে জানা যায় প্রাণিটিকে আফ্রিকার জিবুতিতে সর্বশেষ ১৯৭০ সালে দেখতে পাওয়া গিয়েছিল।<br />
এলিফ্যান্ট শ্রু, বাংলায় হস্তিছুঁচো মোটেই হাতি বা ছুঁচো নয়, কিন্তু এটি পতঙ্গভুক স্তন্যপায়ী প্রাণি আর্ডভার্ক, হাতি ও জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণি মানাতির সাথে সম্পর্কযুক্ত।এরা সেনগি নামেও পরিচিত।<br />
তাদের শুঁড়ের মতো নাক রয়েছে, যা তারা পোকামাকড় খেতে ব্যবহার করে। বিশ্বে ২০ প্রজাতির হস্তিছুঁচো রয়েছ এবং এদের মধ্যে অন্যতম রহস্যময় প্রজাতি সোমালি হস্তিছুঁচো (<em>Elephantulus revoilii</em>),যা কেবল কয়েক দশক আগে ৩৯জন ব্যক্তির থেকে সংগ্রহ করা হয় এবং বর্তমানে জাদুঘরে রক্ষিত রয়েছে। এই প্রজাতিটি শুধুমাত্র সোমালিয়াতেই পরিচিত ছিল।<br />
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডারহমের ডিউক বিশ্ববিদ্যালয় লেমুর সেন্টারের গবেষণা বিজ্ঞানী স্টিভেন হেরিটেজ এই প্রাণিটিকে পর্যবেক্ষণর আওতায় ফিরে পেয়ে শিহরিত হয়েছেন। তিনি বিবিসিকে বলেছেন &#8220;আমরা যখন প্রথম ফাঁদ খুলে এর মধ্যে সোমালি হস্তিছুঁচো পেয়েছিলাম তখন আমরা সত্যিই উত্তেজিত ও আনন্দিত হয়েছিলাম। জিবুতিতে কোন প্রজাতির উত্থান ঘটেছিল তা আমরা জানতাম না এবং যখন আমরা একটি ছোট্ট গোছা বাঁধা লেজ বিশিষ্ট প্রাণিটিকে পেলাম আমরা পরষ্পরের মুখ চাওয়া-চাওয়ি করলাম এবং আমরা জানতাম যে এটি বিশেষ কিছু ছিল।&#8221;<br />
বিজ্ঞানীরা জিবুতিতে প্রাণিটির দেখা যাওয়ার খবর শুনেছিলেন এবং জিবুতির গবেষণা বাস্তুবিদ হউসেইন রায়লেহ, যিনি এই সফরে যুক্ত ছিলেন তিনি আগে এই প্রাণীটি দেখেছিলেন বলে উল্লেখ করেন।<br />
তিনি আরও বলেন, জিবুতির অধিবাসীরা কখনোই মনে করতো না যে এই প্রজাতিটি হারিয়ে গেছে। নতুন অনুসন্ধানে বিজ্ঞান জগতে সোমালি হস্তিছুঁচোকে ফিরে পাওয়া গেছে, যা সত্যি গুরুত্বপূর্ণ। একইসাথে তিনি মনে করেন, জিবুতির বিপুল জীববচিত্র্যের মাঝে বিজ্ঞানের নতুন গবেষণার সুযোগ রয়েছে।</p>
<p>সূত্র: বিবিসি</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://journal.cosmicculture.org/?feed=rss2&amp;p=2482</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
